শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:৩১
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশাল নগরীতে তিন কন্যার জননী, স্বামীহারা অসহায় নারী রিকশাচালক হেলেনা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা। জীবিকার তাগিদে রিকশার হ্যান্ডেল ধরে ছুটে চলা এই নারীর কষ্টের কথা জানতে পেরে তাঁকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) হেলেনা বেগমকে নিজের কার্যালয়ের কক্ষে ডেকে নেন ইউএনও ফরিদা সুলতানা। সেখানে তাঁর হাতে একটি রেইনকোট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও কিছু শুকনো খাবার তুলে দেওয়া হয়।

তিন কন্যাকে নিয়ে হেলেনা বেগমের জীবন চলে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। স্বামীহারা এই নারী সংসারের হাল ধরেছেন নিজেই। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য অন্যের কাছে হাত না পেতে রিকশা চালিয়ে উপার্জন করছেন তিনি। বৃষ্টি-রোদ উপেক্ষা করে প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে ছুটতে হয় তাঁকে।

এমন বাস্তবতায় একটি রেইনকোট তাঁর জন্য শুধু একটি উপহার নয়, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় জীবিকা চালিয়ে যাওয়ার কিছুটা নিরাপত্তা। একইভাবে একটি মোবাইল ফোন ও শুকনো খাবারও তাঁর দৈনন্দিন জীবনে সামান্য হলেও স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের অন্যদেরও সহমর্মী হতে উৎসাহিত করবে।

হেলেনা বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তাঁদের জীবনসংগ্রাম কিছুটা সহজ হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।